খুলনা শিশু হাসপাতালে ১০ জন কনসালট্যান্ট , ২০ জন মেডিকেল অফিসার এবং ৫৩ জন নার্স কর্মরত রয়েছে। ১০ জন কনসালট্যান্ট-এর মধ্যে ৩ জন কনসালট্যান্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ২২০ বেডের শিশু রোগীর চিকিৎসার জন্য মাত্র ৩ জন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দ্বারা চিকিৎসা সেবা প্রদান করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা সেবারমান উন্নত করার লক্ষ্যে আরো ৩ জন কনসালট্যান্ট, মেডিকেল অফিসার ও নার্স নিয়োগের প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে এই মুহুর্তে কনসালট্যান্ট, মেডিকেল অফিসার ও নার্স নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শিশু রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। কর্মরত কনসালট্যান্ট ও মেডিকেল অফিসারদের যে বেতন প্রদান করা হচ্ছে, সে বেতনে জীবন ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয় বলে বার বার তারা লিখিতভাবে আবেদন জানাচ্ছে। কিন্তু অর্থাভাবে বেতন বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। রোগীর চাপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতালে ভিতরে খালি জায়গায় প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে আরও নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব।
পরিশেষে, হাসপাতাল পরিচালনা কমিটি মনে করে কোন প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভাবে সাহায্য বা অনুদানের উপর নির্ভরশীল না হয়েও প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস বুঝে যদি চালানো হয়, তবে সেই প্রতিষ্ঠানটি টিকে থাকতে পারে। তার প্রমাণ খুলনা শিশু হাসপাতাল। এই প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখার মুলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, খুলনার সর্বস্তরের জনগণ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও তাদের সহযোগিতায় এই অসম্ভব দুরহ কাজকে সম্ভব করে তুলেছে। আমাদের বিশ্বাস একদিন সত্যিকারের স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই খুলনা শিশু হাসপাতাল সারা দেশের একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিগণিত হবে। যে মডেলটি সারা দেশের সমাজসেবী মানুষদের উৎসাহিত করবে, সাহস যোগাবে ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে। আমরা এ প্রত্যাশায় বিশ্বাসী। উৎসাহ ও কর্মই আমাদের চলার পথের পাথেয়।